SadaronKnowlege

Latest Post

 



বাংলা যুক্তাক্ষর শেখার একটি খুব ভাল উপায় এটি। বিশেষ করে বিজয় কীবোর্ড দিয়ে যারা বাংলা লিখতে চান তাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় তালিকা এটি। সব চেয়ে সুবিধা হলো এতে শব্দের দৃষ্টান্তও দেয়া আছে। মনে রাখতে হবে, বিজয় কীবোর্ডে এই পদ্ধতিতেই বাংলা টাইপ করতে হয়। তবে বিজয় কীবোর্ডে র ফলা, য ফলা ও রেফ স্বতন্ত্র দেয়া থাকে বলে এগুলো সরাসরি টাইপ করা যায়। তবে কখনও ইউনিকোড পদ্ধতিতে রেফ নিয়ে সমস্যা হয়। তখন র+জি+র টাইপ করতে হয়। বিজয় কীবোর্ডে ইংরেজি জি বোতামটি যেখানে হসন্ত আছে সেটি দিয়ে যুক্তাক্ষর ও স্বরবর্ণ তৈরি হয়।

১. ক্ষ = ক+ষ

২. ষ্ণ = ষ+ণ

৩. জ্ঞ = জ+ঞ

৪. ঞ্জ = ঞ+জ

৫. হ্ম = হ+ম

৬. ঞ্চ = ঞ+চ

৭. ঙ্গ = ঙ+গ

৮. ঙ্ক = ঙ+ক

৯. ট্ট = ট + ট

১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম

১১. হ্ন = হ + ন

১২. হ্ণ = হ + ণ

১৩. ব্ধ = ব + ধ

১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)

১৫. গ্ধ = গ + ধ

১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)

১৭. ক্ত = ক + ত

১৮. ক্স = ক + স

১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরণ: উত্থান,

উত্থাপন)

২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরণ: উত্তম, উত্তর,

সত্তর)

২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরণ: মাহাত্ম্য)

নিচের যুক্তবর্ণের

তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে লিখতে সহায়ক হতে পারে।

এখানে বাংলায় ব্যবহৃত ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর

বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায় প্রচলিত নয়।

ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা

ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়

ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত

ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র, অক্ত্র

ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ

ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী

ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য

ক্র = ক + র; যেমন- চক্র

ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি

ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ

ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ

ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু

ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী

ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য

ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য

ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স

খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য

খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান

গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ

গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ

গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য

গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী

গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন

গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,

অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়

গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী

গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম

গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য

গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম

গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট

গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি

ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন

ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য

ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ

ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক

ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি

ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য

ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা

ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ

ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ

ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ,

ব্যঙ্গ্যোক্তি

ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ

ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য

ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি

ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়

চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা

চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা

চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস

চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়

চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা

চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী

চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য

জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক

জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল

জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা

জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান

জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর

জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য

জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র

ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল

ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা

ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ

ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা

ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম

ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা

ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল

ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য

ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা

ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান

ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য

ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম

(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ

ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য

ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য:

অত্যন্ত বিরল)

ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা

ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ

ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য

ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল

ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য

ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র

ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ

ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ

ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর

ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়

ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য

ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট

ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর

ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব

ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত

ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ

ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন

ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব

ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা

ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য

ত্য = ত + য; যেমন- সত্য

ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ

ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য

ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা

ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব

থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী

থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য

থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম

দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন

দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য

দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা

দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ

দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান

দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত

দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত

দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম

দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য

দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র

দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য

ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু

ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি

ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান

ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য

ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব

ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল (মন্তব্য:

এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন

ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড

ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড

ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত

ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা

ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য

ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র

ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য

ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ

ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স

(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ

ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য

ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব

ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র

ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ

ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য

ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র

ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন

ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি

ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়

ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য

প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা,

ক্যাপ্টেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ

শব্দে ব্যবহৃত)

প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত

প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন

প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা

প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য

প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র

প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস

(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত

প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা

ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ,

আফ্রিকা, রেফ্রিজারেটর (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ

ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ

ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ

ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা

ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য

ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ

ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ

ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা

ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য

ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র

ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন

ম্প = ম + প; যেমন- কম্প

ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি

ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ

ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব

ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন (মন্তব্য:

এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ

ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম

ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান

ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য

ম্র = ম + র; যেমন- নম্র

ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল

য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য

র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক

র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক

দিয়ে যার সমাধান হয় না)

র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)

র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য

র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)

র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য

র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য

(বিবর্ণতা)

র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য

র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য

র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক

র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য

র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য

র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য

র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য

র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ

র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ

র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ

র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ

র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা

র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা

র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন

র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝর

র্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, কম্ফর্টার,

শার্ট, কার্টিজ, আর্টিস্ট,

পোর্টম্যানটো, সার্টিফিকেট,

কনসার্ট, কার্টুন, কোয়ার্টার (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

র্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার,

কার্ড (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত

ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ

শব্দে ব্যবহৃত)

র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ

র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত

র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী

র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ

র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়

র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা

র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র

র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ

র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব

র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম

র্প = র + প; যেমন- দর্প

র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত

ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ

শব্দে ব্যবহৃত)

র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ

র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম

র্য = র + য; যেমন- আর্য

র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ

র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ

র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব

র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ

র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স,

পার্সেল, কুর্সি (মন্তব্য: মূলত

ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ

শব্দে ব্যবহৃত)

র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য

র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ

দৃঢ়তা)

ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক

ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য

ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা

ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো

ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প

ল্ফ = ল + ফ; যেমন- গল্ফ (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব

ল্ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্ভ

ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম

ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য

ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস

শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ

শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ

শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন

শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব

শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম

শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য

শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র

শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল

ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক

ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়

ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট

ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য

ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র

ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ

ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত

ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ

ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ

ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন

ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল

ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা

ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম

ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য

স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা

স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্খ = স + খ; যেমন- স্খলন

স্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইক (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত

স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক

স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ

স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী

স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ

স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য

স্ন = স + ন; যেমন- স্নান

স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা

স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিং (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্প্ল = স + প + ল; যেমন- স্প্লিন (মন্তব্য: এই

যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/

বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)

স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন

স্ব = স + ব; যেমন- স্বর

স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ

স্য = স + য; যেমন- শস্য

স্র = স + র; যেমন- অজস্র

স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান

হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ

হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন

হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান

হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ

হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য

হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ

হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ

 অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।

এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময়  জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে। 

সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ

১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট

১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত

১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার

জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে

বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ

১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ

১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার

১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত

১ শতক ১০০০ বর্গলিংক

১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)

১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)

১ একর = ৬০.৬০ কাঠা

১ একর = ৩.০৩ বিঘা

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট

১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ

১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার

১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত

১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।

উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?

জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।

জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)

সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।

অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।

পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?

ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ

প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-

ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু

কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪

পরীসিমা= ১ বাহু X ৪

এখন যদি প্রশ্ন হয় একটি বর্গক্ষের বাহুগুলির দৈর্ঘ্য ১২০ লিংক করে হলে উহার ক্ষেত্রফল এবং জমির পরিমাণ বের কর।

তাহলে আমরা জেনেছি যে, ক্ষেত্রফল= বাহু X বাহু = ১২০ X ১২০= ১৪৪০০ বর্গলিংক (যদি ক্ষেত্রফলের একেকটি বাহু ১২০ লিংক হয়)।

এখন আমরা আগেই জেনেছি যে, ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গ লিংক তাহলে জমির পরিমান,

১০০০ বর্গ লিংক = ১ শতাংশ

১ বর্গ লিংক = ১০০০ ভাগের ১ ভাগ

১৪৪০০০ বর্গ লিংকে কত হবে?

সুতরাং ১৪৪০০০ বর্গ লিংকে ১০০০ দিয়ে ভাগ দিলে যা হবে তাই হচ্ছে তার ফল অর্থাৎ ১৪.৪০ শতাংশ হবে।


জমি মাপের সহজ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতিঃ

গ্যান্টার জরিপঃ

ইংরেজ বিজ্ঞানী গ্যান্টার জরিপ কাজে ব্যবহৃত চেইন আবিস্কার করেন। তাই তার নামানুসারে এ চেইনের নামকরন করা হয়েছে “গ্যান্টর্র্স চেইন”। এ চেইনের দের্ঘ্য ২২ গজ বা ৬৬ ফুট। এতে ১০০টি লিংক আছে। প্রতি লিংকের দৈর্ঘ্য ৭.৯২ ইঞ্চি এর দু মাথায় দুটো হাতল এবং দশম লিংক একটি করে “পেন্ডিল” বা পুলি আছে।

ইদানিং ফিতা/টেপ ব্যবহার করেও জমি পরিমাপ করা হয়। সার্ভেয়ার বা আমিন সব সময় পাওয়া যায় না। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত হিসাব ও পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে আপনি নিজেই জমি পরিমাপ করতে পারবেন।

হিসাবটি হলোঃ

১০০০ বর্গ লিংক (৩১.৬২x৩১.৬২ লিংক) ১ শতাংশ।

১৯৪.৬ বর্গ হাত (১৩.৯৫x১৩.৯৫ হাত) = ১ শতাংশ।

১০.০০০ বর্গ লিংক (১x১ চেইন) = ১০ শতাংশ।

৩৩.৩ শতাংশ কার্যত ৩৩ শতাংশ = ১ বিঘা। (ষ্টান্ডার্ড বিঘা)

১০০ শতাংশ বা ৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর।

৪৮৪০x৯ (৯ বর্গফুট = ১ বর্গ গজ বলে = ৪৩৫৬০ বর্গফুট।

৪৩৫৬০ ১০০ (১০০ শতাংশ ১ একর বলে)= ৪৩৫.৬ বর্গফুট।

অতএব ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট বা ৪০.৪৬ বর্গমিটার (প্রায়)।


আমাদের দেশে কোথাও ৩৫ শতাংশে ১ বিঘা, কোথাও ৩৩ শতাংশে ১ বিঘা আবার ইদানিং ৩০ শতাংশে ১ বিঘা বলা হচ্ছে।

যদিও সরকারি বিঘা ৩৩ শতাংশেই করা হয়। অপরদিকে কাঠার পরিমাণ শতাংশের পরিমাণে স্থান বিশেষ পার্থক্য হলেও ২০ কাঠায় ১ বিঘার হিসেবে সর্বত্র প্রচলিত ও স্বীকৃত আছে।


ডায়াগনাল স্কেলঃ

ডায়াগনাল স্কেল একটি চার কোনা বিশিষ্ট তামা ব্রোঞ্জের তৈরি স্কেল। ইহার চার পাশে ১০ টি ঘর বা কক্ষ থাকে প্রতিটি ঘরের মান ১০০ লিংক। ১৬”=১ মাইল স্কেলে ইহা তৈরি করা হয়। এবং গান্টার চেইনের সাথে মিল আছে বলে একে গান্টার স্কেলও বলা হয়।


আভার অফসেটঃ

এটি একটি প্লাষ্টিকের তৈরি স্কেল এই স্কেলের সাথে গান্টার স্কেলের মিল আছে। ইহার দৈর্ঘ্য ২ ” এবং প্রস্ত .৫” (ইঞ্চি) এই স্কেলের সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব সহজে মাপা যায়। এটা ছাড়া অফনেট নেয়ার ক্ষেত্রে ইহা বিশেষ সুবিধাজনক। গুনে গুনে সংখ্যা হিসাব করা যায় বলে একে গুনিয়া বলা হয়।


ডিভাইডার বা কাটা কম্পাসঃ

ইহা একটি জ্যামিতিক কম্পাস। ইহার সাহায্যে নকশার সংকোচিত দুরত্ব নিয়ে ডাইগোনাল স্কেলে মাপ নেয়া যায় এবং দুরত্ব গুনিয়া গুনিয়া সংখ্যা বুঝা যায়।


জোনাল জরিপঃ 

ভূমি সংস্কার কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক রিভিশনাল সেটেলমেন্ট পদ্ধতির পরিবর্তে ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে স্থায়ী পদ্ধতির জোনাল সেটেলমেন্ট আরম্ভ হয়। ১০ টি বৃহত্তর জেলায় জরিপ কাজ হয় এবং এ জরিপে সৃষ্ট খতিয়ানকে বাংলাদেল সার্ভে বা বি. এস. খতিয়ান বলে। কেউ আবার একে আর. এস. খতিয়ান বলে। 

দিয়ারা জরিপঃ দরিয়া শব্দ থেকে দিয়ারা শব্দের উদ্ভব। যে সকল এলাকায় নদী বা সাগরের কারনে জমির ভাঙ্গাগড়া বেশী হয় সে অঞ্চলে দিয়ারা জরিপ পরিচালিত হয়।

বিঘা থেকে কাঠা ও শতাংশ বের করার পদ্ধতি :

১ কাঠা = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট x৩৫ (৩৫ শতাংশে বিঘা হিসাবে) ২০ (২০ কাঠায় বিঘা বলে)। ১ কাঠা = ১৫২৪৬২০ = ৭৬২.৩ বর্গ ফুট, ১ কাঠা ৭৬২.৩ ৪৩৫.৬ = ১.৭৫ শতাংশ। অনুরুপভাবে ৩০ শতাংশে ১ বিঘা ধরলে ১ কাঠা সমান = ১.৫০ শতাংশ।


শহর,কিংবা গ্রাম, ফ্লাট, মার্কেট প্রতি ইঞ্চি জমি অনেক মূল্যবান তাই ১০০%ডিজিটাল পদ্ধতিতে  ভূমি জরিপ করা হয় |

বাংলাদেশের সকল জেলায় আমরা ডিজিটাল সার্ভের কাজ করে থাকি |  ডিজিটাল পেন্টাগ্রাফ ম্যাপ তৈরি করা হয় ডিমারকেশন করা হয় এবং সকল মৌজার ম্যাপ সরবরাহ করা হয়  ভূমি বিষয়ের যেকোনো তথ্য সেবা এবং ভূমি পরিমাপের জন্য যোগাযোগ করুন |


  




 শেয়ার দিয়ে আপনার টাইমলানে রাখতে পারেন

1.. (a+b)²= a²+2ab+b²
2.. (a+b)²= (a-b)²+4ab
3.. (a-b)²= a²-2ab+b²
4.. (a-b)²= (a+b)²-4ab
5.. a² + b²= (a+b)²-2ab.
6.. a² + b²= (a-b)²+2ab.
7.. a²-b²= (a +b)(a -b)
8.. 2(a²+b²)= (a+b)²+(a-b)²
9.. 4ab = (a+b)²-(a-b)²
10.. ab = {(a+b)/2}²-{(a-b)/2}²
11.. (a+b+c)² = a²+b²+c²+2(ab+bc+ca)
12.. (a+b)³ = a³+3a²b+3ab²+b³
13.. (a+b)³ = a³+b³+3ab(a+b)
14.. (a-b)³= a³-3a²b+3ab²-b³
15.. (a-b)³= a³-b³-3ab(a-b)
16.. a³+b³= (a+b) (a²-ab+b²)
17.. a³+b³= (a+b)³-3ab(a+b)
18.. a³-b³ = (a-b) (a²+ab+b²)
19.. a³-b³ = (a-b)³+3ab(a-b)
20.. (a² + b² + c²) = (a + b + c)² – 2(ab + bc + ca)
21.. 2 (ab + bc + ca) = (a + b + c)² – (a² + b² + c²)
22.. (a + b + c)³ = a³ + b³ + c³ + 3 (a + b) (b + c) (c + a)
23.. a³ + b³ + c³ – 3abc =(a+b+c)(a² + b²+ c²–ab–bc– ca)
24.. a3 + b3 + c3 – 3abc =½ (a+b+c) { (a–b)²+(b–c)²+(c–a)²}
25.. (x + a) (x + b) = x² + (a + b) x + ab
26.. (x + a) (x – b) = x² + (a – b) x – ab
27.. (x – a) (x + b) = x² + (b – a) x – ab
28.. (x – a) (x – b) = x² – (a + b) x + ab
29.. (x+p) (x+q) (x+r) = x³ + (p+q+r) x² + (pq+qr+rp) x +pqr
30.. bc (b-c) + ca (c- a) + ab (a - b) = - (b - c) (c- a) (a - b)
31.. a² (b- c) + b² (c- a) + c² (a - b) = -(b-c) (c-a) (a - b)
32.. a (b² - c²) + b (c² - a²) + c (a² - b²) = (b - c) (c- a) (a - b)
33.. a³ (b - c) + b³ (c-a) +c³ (a -b) =- (b-c) (c-a) (a - b)(a + b + c)
34.. b²-c² (b²-c²) + c²a²(c²-a²)+a²b²(a²-b²)=-(b-c) (c-a) (a-b) (b+c) (c+a) (a+b)
35.. (ab + bc+ca) (a+b+c) - abc = (a + b)(b + c) (c+a)
36.. (b + c)(c + a)(a + b) + abc = (a + b +c) (ab + bc + ca)
37. 🔣আয়তক্ষেত্র🔣
38. 1.আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (দৈর্ঘ্য × প্রস্থ) বর্গ একক
39. 2.আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2 (দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)একক
40. 3.আয়তক্ষেত্রের কর্ণ = √(দৈর্ঘ্য²+প্রস্থ²)একক
41. 4.আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য= ক্ষেত্রফল÷প্রস্ত একক
42. 5.আয়তক্ষেত্রের প্রস্ত= ক্ষেত্রফল÷দৈর্ঘ্য একক
43.🔣বর্গক্ষেত্র🔣
44. 1.বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (যে কোন একটি বাহুর দৈর্ঘ্য)² বর্গ একক
45. 2.বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
46. 3.বর্গক্ষেত্রের কর্ণ=√2 × এক বাহুর দৈর্ঘ্য একক
47. 4.বর্গক্ষেত্রের বাহু=√ক্ষেত্রফল বা পরিসীমা÷4 একক
48.📷ত্রিভূজ📷
49. 1.সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √¾×(বাহু)²
50. 2.সমবাহু ত্রিভূজের উচ্চতা = √3/2×(বাহু)
51. 3.বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √s(s-a) (s-b) (s-c)
52. এখানে a, b, c ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য, s=অর্ধপরিসীমা
53.★পরিসীমা 2s=(a+b+c)
54. 4সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½
55. (ভূমি×উচ্চতা) বর্গ একক
56. 5.সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ½(a×b)
57. এখানে ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় a এবং b.
58. 6.সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = 2√4b²-a²/4 এখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু।
59. 7.ত্রিভুজের উচ্চতা = 2(ক্ষেত্রফল/ভূমি)
60. 8.সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ =√ লম্ব²+ভূমি²
61. 9.লম্ব =√অতিভূজ²-ভূমি²
62. 10.ভূমি = √অতিভূজ²-লম্ব²
63. 11.সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা = √b² - a²/4
64. এখানে a= ভূমি; b= সমান দুই বাহুর দৈর্ঘ্য।
65. 12.★ত্রিভুজের পরিসীমা=তিন বাহুর সমষ্টি
66.📷রম্বস📷
67. 1.রম্বসের ক্ষেত্রফল = ½× (কর্ণদুইটির গুণফল)
68. 2.রম্বসের পরিসীমা = 4× এক বাহুর দৈর্ঘ্য
69.📷সামান্তরিক📷
70. 1.সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা =
71. 2.সামান্তরিকের পরিসীমা = 2×(সন্নিহিত বাহুদ্বয়ের সমষ্টি)
72.📷ট্রাপিজিয়াম📷
73. 1. ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল =½×(সমান্তরাল বাহু দুইটির যােগফল)×উচ্চতা
74.📷 ঘনক📷
75. 1.ঘনকের ঘনফল = (যেকোন বাহু)³ ঘন একক
76. 2.ঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 6× বাহু² বর্গ একক
77. 3.ঘনকের কর্ণ = √3×বাহু একক
78.📷আয়তঘনক📷
79. 1.আয়তঘনকের ঘনফল = (দৈৰ্ঘা×প্রস্ত×উচ্চতা) ঘন একক
80. 2.আয়তঘনকের সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = 2(ab + bc + ca) বর্গ একক
81. [ যেখানে a = দৈর্ঘ্য b = প্রস্ত c = উচ্চতা ]
82. 3.আয়তঘনকের কর্ণ = √a²+b²+c² একক
83. 4. চারি দেওয়ালের ক্ষেত্রফল = 2(দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)×উচ্চতা
84.📷বৃত্ত📷
85. 1.বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr²=22/7r² {এখানে π=ধ্রুবক 22/7, বৃত্তের ব্যাসার্ধ= r}
86. 2. বৃত্তের পরিধি = 2πr
87. 3. গোলকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল = 4πr² বর্গ একক
88. 4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3 ঘন একক
89. 5. h উচ্চতায় তলচ্চেদে উৎপন্ন বৃত্তের ব্যাসার্ধ = √r²-h² একক
90. 6.বৃত্তচাপের দৈর্ঘ্য s=πrθ/180° ,
91. এখানে θ =কোণ
92.📷সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডার / বেলন📷
93. সমবৃত্তভূমিক সিলিন্ডারের ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
94. 1.সিলিন্ডারের আয়তন = πr²h
95. 2.সিলিন্ডারের বক্রতলের ক্ষেত্রফল (সিএসএ) = 2πrh।
96. 3.সিলিন্ডারের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল (টিএসএ) = 2πr (h + r)
97.📷সমবৃত্তভূমিক কোণক📷
98. সমবৃত্তভূমিক ভূমির ব্যাসার্ধ r এবং উচ্চতা h আর হেলানো তলের উচ্চতা l হলে,
99. 1.কোণকের বক্রতলের ক্ষেত্রফল= πrl বর্গ একক
100. 2.কোণকের সমতলের ক্ষেত্রফল= πr(r+l) বর্গ একক
101. 3.কোণকের আয়তন= ⅓πr²h ঘন একক
102. 📷✮বহুভুজের কর্ণের সংখ্যা= n(n-3)/2
103. ✮বহুভুজের কোণগুলির সমষ্টি=(2n-4)সমকোণ
104. এখানে n=বাহুর সংখ্যা
105.★চতুর্ভুজের পরিসীমা=চার বাহুর সমষ্টি
106.📷ত্রিকোণমিতির সূত্রাবলীঃ📷
107. 1. sinθ=लম্ব/অতিভূজ
108. 2. cosθ=ভূমি/অতিভূজ
109. 3. taneθ=लম্ব/ভূমি
110. 4. cotθ=ভূমি/লম্ব
111. 5. secθ=অতিভূজ/ভূমি
112. 6. cosecθ=অতিভূজ/লম্ব
113. 7. sinθ=1/cosecθ, cosecθ=1/sinθ
114. 8. cosθ=1/secθ, secθ=1/cosθ
115. 9. tanθ=1/cotθ, cotθ=1/tanθ
116. 10. sin²θ + cos²θ= 1
117. 11. sin²θ = 1 - cos²θ
118. 12. cos²θ = 1- sin²θ
119. 13. sec²θ - tan²θ = 1
120. 14. sec²θ = 1+ tan²θ
121. 15. tan²θ = sec²θ - 1
122. 16, cosec²θ - cot²θ = 1
123. 17. cosec²θ = cot²θ + 1
124. 18. cot²θ = cosec²θ - 1
125.📷 বিয়ােগের সূত্রাবলি📷
126. 1. বিয়ােজন-বিয়োজ্য =বিয়োগফল।
127. 2.বিয়ােজন=বিয়ােগফ + বিয়ােজ্য
128. 3.বিয়ােজ্য=বিয়ােজন-বিয়ােগফল
129.📷 গুণের সূত্রাবলি📷
130. 1.গুণফল =গুণ্য × গুণক
131. 2.গুণক = গুণফল ÷ গুণ্য
132. 3.গুণ্য= গুণফল ÷ গুণক
133.📷 ভাগের সূত্রাবলি📷
134. নিঃশেষে বিভাজ্য না হলে।
135. 1.ভাজ্য= ভাজক × ভাগফল + ভাগশেষ।
136. 2.ভাজ্য= (ভাজ্য— ভাগশেষ) ÷ ভাগফল।
137. 3.ভাগফল = (ভাজ্য — ভাগশেষ)÷ ভাজক।
138. *নিঃশেষে বিভাজ্য হলে।
139. 4.ভাজক= ভাজ্য÷ ভাগফল।
140. 5.ভাগফল = ভাজ্য ÷ ভাজক
141. 6.ভাজ্য = ভাজক × ভাগফল।
142.📷ভগ্নাংশের ল.সা.গু ও গ.সা.গু সূত্রাবলী 📷
143. 1.ভগ্নাংশের গ.সা.গু = লবগুলাের গ.সা.গু / হরগুলাের ল.সা.গু
144. 2.ভগ্নাংশের ল.সা.গু =লবগুলাের ল.সা.গু /হরগুলার গ.সা.গু
145. 3.ভগ্নাংশদ্বয়ের গুণফল = ভগ্নাংশদ্বয়ের ল.সা.গু × ভগ্নাংশদ্বয়ের গ.সা.গু.
146.📷গড় নির্ণয় 📷
147. 1.গড় = রাশি সমষ্টি /রাশি সংখ্যা
148. 2.রাশির সমষ্টি = গড় ×রাশির সংখ্যা
149. 3.রাশির সংখ্যা = রাশির সমষ্টি ÷ গড়
150. 4.আয়ের গড় = মােট আয়ের পরিমাণ / মােট লােকের সংখ্যা
151. 5.সংখ্যার গড় = সংখ্যাগুলাের যােগফল /সংখ্যার পরিমান বা সংখ্যা
152. 6.ক্রমিক ধারার গড় =শেষ পদ +১ম পদ /2
153. 📷📷সুদকষার পরিমান নির্নয়ের সূত্রাবলী📷
154. 1. সুদ = (সুদের হার×আসল×সময়) ÷১০০
155. 2. সময় = (100× সুদ)÷ (আসল×সুদের হার)
156. 3. সুদের হার = (100×সুদ)÷(আসল×সময়)
157. 4. আসল = (100×সুদ)÷(সময়×সুদের হার)
158. 5. আসল = {100×(সুদ-মূল)}÷(100+সুদের হার×সময় )
159. 6. সুদাসল = আসল + সুদ
160. 7. সুদাসল = আসল ×(1+ সুদের হার)× সময় |[চক্রবৃদ্ধি সুদের ক্ষেত্রে]।
161. 📷📷লাভ-ক্ষতির এবং ক্রয়-বিক্রয়ের সূত্রাবলী📷
162. 1. লাভ = বিক্রয়মূল্য-ক্রয়মূল্য
163. 2.ক্ষতি = ক্রয়মূল্য-বিক্রয়মূল্য
164. 3.ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য-লাভ
165. অথবা
166. ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি
167. 4.বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ
168. অথবা
169. বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য-ক্ষতি
📷📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যামনে রাখার সহজ উপায়ঃ📷
শর্টকাট :- 44 -22 -322-321
★1থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=25টি
★1থেকে10পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 2,3,5,7
★11থেকে20পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=4টি 11,13,17,19
★21থেকে30পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 23,29
★31থেকে40পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 31,37
★41থেকে50পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 41,43,47
★51থেকে 60পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 53,59
★61থেকে70পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 61,67
★71থেকে80 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=3টি 71,73,79
★81থেকে 90পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=2টি 83,89
★91থেকে100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা=1টি 97
📷1-100 পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা 25 টিঃ
2,3,5,7,11,13,17,19,23,29,31,37,41,43,47,53,59,61,67,71,73,79,83,89,97
📷1-100পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
1060।
📷1.কোন কিছুর
গতিবেগ= অতিক্রান্ত দূরত্ব/সময়
2.অতিক্রান্ত দূরত্ব = গতিবেগ×সময়
3.সময়= মোট দূরত্ব/বেগ
4.স্রোতের অনুকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ + স্রোতের গতিবেগ।
5.স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার কার্যকরী গতিবেগ = নৌকার প্রকৃত গতিবেগ - স্রোতের গতিবেগ
📷সরল সুদ📷
যদি আসল=P, সময়=T, সুদের হার=R, সুদ-আসল=A হয়, তাহলে
1.সুদের পরিমাণ= PRT/100
2.আসল= 100×সুদ-আসল(A)/100+TR
📷📷নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 10 কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে 2 কি.মি.। স্রোতের বেগ কত?
★টেকনিক-
স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ - স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /2
= (10 - 2)/2=
= 4 কি.মি.
📷একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় 8 কি.মি.এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় 4 কি.মি.
যায়। নৌকার বেগ কত?
★ টেকনিক-
নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/2
= (8 + 4)/2
=6 কি.মি.
📷নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে 10 কি.মি. ও 5 কি.মি.। নদীপথে 45 কি.মি. পথ একবার গিয়ে ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
টেকনিক-
★মােট সময় = [(মােট দূরত্ব/ অনুকূলে বেগ) + (মােট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]
উত্তর:স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (10+5) = 15 কি.মি.
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ = (10-5) = 5কি.মি.
[(45/15) +(45/5)]
= 3+9
=12 ঘন্টা
📷★সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা s=যোগফল
📷 প্রশ্নঃ 1+2+3+....+100 =?
📷 সমাধানঃ[n(n+1)/2]
= [100(100+1)/2]
= 5050
📷★সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)
📷প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?
📷সমাধানঃ S=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2×31+1)/6]
=31
📷★সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)
📷প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
📷সমাধানঃ [n(n+1)/2]2
= [10(10+1)/2]2
= 3025
📷★পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +1
📷প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
📷সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+1
= [(50 – 5)/5] + 1
=10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি
= [(5 + 50)/2] ×10
= 275
📷★ n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = 1ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
📷প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?
📷 সমাধানঃ ধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100
📷★6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(1ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
📷প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?
📷 সমাধানঃ S=M²
={(1+19)/2}²
=(20/2)²
=100
❤️
📷📷1. জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 2 + 6 = 8.
📷2. জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 6 + 7 = 13.
📷3. বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 + 5 = 8.
📷4. জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 8 = 48.
📷5.জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা।
যেমনঃ 6 × 7 = 42
📷6.বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা।
যেমনঃ 3 × 9 = 27
📝.. যারা হিসাব জানেন না।
1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
📝ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
📝 আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
📝 ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ড
📝যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি
আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার
= ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।
British & U.S British U.S
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
📝ক্যারেট কি?.
উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
1 ক্যারেট = 2 গ্রাম
📝বেল কি?
উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।
সূক্ষ্ণকোণ : এক সমকোণ (৯০º) অপেক্ষা ছোট
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।
০৩. স্থুলকোণ : ৯০º অপেক্ষা বড় কিন্তু!

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget